অনলাইন বেটিংয়ে লয়্যালটি প্রোগ্রাম নতুন কিছু নয়। কিন্তু Mamo Baje ভিআইপি প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশের বেটরদের কথা মাথায় রেখে। এখানে শুধু বড় অঙ্কের বেটর নয়, নিয়মিত ও পরিশ্রমী সদস্যরাও উপকৃত হন। ব্রোঞ্জ স্তর থেকে ডায়মন্ড – প্রতিটি ধাপে আপনার অভিজ্ঞতাকে আরও ভালো করার চেষ্টা করা হয়েছে।

Mamo Baje বিশ্বাস করে যে বিশ্বস্ত সদস্যরা সেরা আচরণ পাওয়ার যোগ্য। তাই ভিআইপি প্রোগ্রামে ঢুকলে আপনি শুধু বোনাস পান না – আপনি পান একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা। দ্রুত সমস্যা সমাধান, আগে থেকে অফার জানার সুযোগ এবং আপনার পছন্দ অনুযায়ী কাস্টমাইজড প্রোমোশন – এগুলো সবই ভিআইপি সদস্যতার অংশ।

কীভাবে ভিআইপি স্তরে ওঠা যায়

প্রক্রিয়াটা বেশ সহজ। প্রতি ক্যালেন্ডার মাসে আপনার মোট বেটিং পরিমাণের উপর ভিত্তি করে স্তর নির্ধারিত হয়। কোনো বিশেষ আবেদন করতে হয় না। মাসের শেষে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার স্তর আপডেট করে এবং পরের মাসের শুরু থেকেই নতুন সুবিধা চালু হয়।

ধরুন এই মাসে আপনার মোট বেটিং পরিমাণ ৳৪২,০০০। তাহলে পরের মাসে আপনি গোল্ড স্তরের সুবিধা পাবেন – ১২% ক্যাশব্যাক, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার এবং এক্সক্লুসিভ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ। স্তর যত উপরে, সুবিধা তত বেশি।

মনে রাখুন: স্তর নির্ধারণ হয় বেটের পরিমাণের উপর, জয়-পরাজয়ের উপর নয়। তাই নিয়মিত বেটিং করলে আপনার স্তর উন্নত হতে থাকে।

ভিআইপি পয়েন্ট সিস্টেম

Mamo Baje-তে প্রতিটি বেটের বিপরীতে পয়েন্ট অর্জিত হয়। ভিআইপি সদস্যরা সেই পয়েন্টে মাল্টিপ্লায়ার সুবিধা পান। সংগৃহীত পয়েন্ট দিয়ে ফ্রি বেট, ক্যাশ বোনাস বা বিশেষ পুরস্কার রিডিম করা যায়। ডায়মন্ড স্তরে পয়েন্ট মাল্টিপ্লায়ার ৩x, অর্থাৎ একই পরিমাণ বেট করে আপনি তিনগুণ পয়েন্ট পাচ্ছেন।

ভিআইপি সদস্যদের অভিজ্ঞতা

ঢাকার একজন গোল্ড স্তরের সদস্য জানান, "আগে উইথড্রয়াল করতে দুই-তিন দিন লাগত। এখন গোল্ড স্তরে আসার পর তিন ঘন্টার মধ্যে পেমেন্ট পাই। এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় সুবিধা।" চট্টগ্রামের একজন প্লাটিনাম সদস্য বলেন, "ব্যক্তিগত ম্যানেজার থাকায় যেকোনো সমস্যায় সাথে সাথে সমাধান পাই। অন্য প্ল্যাটফর্মে এই সুবিধা পাইনি।"

Mamo Baje ভিআইপি প্রোগ্রামের আরেকটি বিশেষ দিক হলো স্বচ্ছতা। স্তর পরিবর্তনের আগে আপনি নোটিফিকেশন পাবেন। কত পয়েন্ট আছে, কত দরকার – সব তথ্য আপনার ড্যাশবোর্ডে পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। কোনো লুকানো শর্ত নেই।