রফিকুল ইসলামের বয়স ৩৪। পেশায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। কুমিল্লায় একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ক্রিকেট দেখেন ছোটবেলা থেকেই – পরিসংখ্যান মাথায় রাখা তার স্বভাব। বন্ধুর পরামর্শে Mamo Baje-তে অ্যাকাউন্ট খোলেন ২০২৬ সালের মার্চে।
শুরুতে ভয় ছিল। প্রথম সপ্তাহে মাত্র ৳৫০০ দিয়ে বেটিং শুরু করেন। ছোট বেট, কিন্তু প্রতিটি বেটের আগে পিচ রিপোর্ট পড়তেন, উইকেটের ধরন দেখতেন, দুই দলের সাম্প্রতিক পাঁচটি ম্যাচের ফলাফল বিশ্লেষণ করতেন। তার নিজের কথায়, "আমি কখনো শুধু মন থেকে বেট করিনি, সবসময় কারণ খুঁজেছি।"
প্রথম মাসে তিনি ২৩টি বেট করেছিলেন যার মধ্যে ১৬টিতে জিতেছিলেন। মোট বিনিয়োগ ছিল ৳৮,০০০, ফেরত এসেছিল ৳১২,৪০০। দ্বিতীয় মাস থেকে বেটের পরিমাণ বাড়িয়েছিলেন, তবে কখনো একটি বেটে মোট ব্যাংকরোলের ৫%-এর বেশি লাগাননি। Mamo Baje-র পুরস্কার পয়েন্টগুলো দিয়ে ফ্রি বেট নিয়ে সেগুলো কম ঝুঁকির ম্যাচে ব্যবহার করেছিলেন।
রফিকুলের মূল কৌশল: প্রতিটি বেটের আগে তিনি তিনটি প্রশ্নের উত্তর নিজেকে দিতেন – পিচ কোন দলকে সুবিধা দেবে? সাম্প্রতিক ফর্ম কেমন? আবহাওয়া কি ম্যাচের গতি বদলাবে?
তৃতীয় মাসে আইপিএল চলছিল। রফিকুল নিজেই জানান, "আইপিএলে অনেক বেশি ম্যাচ থাকে, প্রলোভন থাকে সব ম্যাচে বেট করার। কিন্তু আমি বেছে বেছে মাত্র সেই ম্যাচগুলোতে বেট করেছি যেখানে আমার বিশ্লেষণ পরিষ্কার ছিল।" তিন মাস শেষে মোট আয় দাঁড়ায় ৳৪২,০০০-এর কাছাকাছি।